বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় বিভাগভিত্তিক প্রতিনিধিত্বে বড় ব্যবধান দেখা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে, আর সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগ থেকে স্থান পেয়েছেন।
🔵 চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ১২ জন
চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মোট ১২ জন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে ১০ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২ জন প্রতিমন্ত্রী।
পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন—
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও ড. খলিলুর রহমান।
প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন— জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি ও মীর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
🔵 ঢাকা বিভাগে ১০ জন
ঢাকা বিভাগ থেকে ৪ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ৬ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
মন্ত্রী: আফরোজা খানম রিতা, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও শেখ রবিউল আলম।
প্রতিমন্ত্রী: ইশরাক হোসেন, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ববি হাজ্জাজ, হাবিবুর রশিদ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
🔵 রাজশাহী বিভাগে ৬ জন
২ জন মন্ত্রী ও ৪ জন প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ, মিজানুর রহমান মিনু।
প্রতিমন্ত্রী: এম এ মুহিত, মীর শাহে আলম, ফারজানা শারমিন, মুহাম্মদ আব্দুল বারী।
🔵 বরিশাল বিভাগে ৫ জন
২ জন মন্ত্রী ও ৩ জন প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রী: হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জহির উদ্দিন স্বপন।
প্রতিমন্ত্রী: আহমদ সোহেল মঞ্জুর, রাজিব আহসান, মো. নুরুল হক নুর।
🔵 খুলনা বিভাগে ৪ জন
১ জন মন্ত্রী ও ৩ জন প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রী: নিতাই রায় চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেখ ফরিদুল ইসলাম।
🔵 ময়মনসিংহ বিভাগে ৫ জন
এ বিভাগে কোনো পূর্ণমন্ত্রী নেই।
প্রতিমন্ত্রী: মো. শরিফুল আলম, কায়সার কামাল, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ইয়াসের খান চৌধুরী ও এম ইকবাল হোসেইন।
🔵 রংপুর বিভাগে ৪ জন
৩ জন মন্ত্রী ও ১ জন প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, আসাদুল হাবিব।
প্রতিমন্ত্রী: ফরহাদ হোসেন আজাদ।
🔵 সিলেট বিভাগে সর্বনিম্ন ২ জন
সবচেয়ে কম প্রতিনিধিত্ব সিলেট বিভাগে।
মন্ত্রী: আরিফুল হক চৌধুরী ও খন্দকার আব্দুল মোকতাদির।
নতুন মন্ত্রিসভায় বিভাগভিত্তিক এই ভারসাম্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। প্রতিনিধিত্বের এই চিত্র ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।