বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে অমর একুশে বইমেলা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার কিছুক্ষণ আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার পরপরই দর্শনার্থীদের জন্য মেলার দ্বার উন্মুক্ত করা হয়।
এবারের প্রতিপাদ্য ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
সময়সূচি
মেলা চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
প্রতি কর্মদিবসে: বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা
ছুটির দিন: বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা
রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না
অংশগ্রহণ ও আয়োজন
এবারের মেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে: ৮১টি
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে: ৪৬৮টি
মোট ইউনিট: ১,০১৮টি
গত বছর প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১,০৮৪টি। উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে রয়েছে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল। শিশু চত্বরে অংশ নিচ্ছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান।
প্রতিদিন বিকেল ৩টায় মূলমঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত থাকছে ‘শিশুপ্রহর’।
পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ
এবারের আয়োজনকে ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’য় পরিণত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে মেলা প্রাঙ্গণ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ধূলিবালি-নিবারক পানি ছিটানো এবং নিয়মিত মশক নিধনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
স্টল, দোকান, মঞ্চ, ব্যানার ও প্রচারসামগ্রী প্রস্তুতে পাট, কাপড় ও কাগজের মতো পুনঃব্যবহারযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা প্রত্যাশা করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
মেলার প্রবেশ ও বাহিরপথে পর্যাপ্ত আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশেষ আয়োজন থাকবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে এলাকাজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।
মেলাপ্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।