জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। বর্তমানে দলটির কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় নন। তবে দলীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এক জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘যেহেতু এখন দলের কার্যক্রম নেই, তাই ক্রিকেট চালিয়ে যাচ্ছি। দলীয় কার্যক্রম শুরু হলে রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি জীবনব্যাপী করা যায়, সময় অনেক আছে। কিন্তু ক্রিকেটের সময় সীমিত। তাই আগে ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে চাই। রাজনীতির মাধ্যমে মানুষকে সাহায্য করতে পারলে ভালো লাগে—সেই আশাই এখনো আছে।’
দীর্ঘদিন দেশে ফিরতে না পারার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নিজের দেশে যেতে না পারলে সবাই দেশকে মিস করে। আমিও করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব।’
দেশে ফেরার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সমাধান হলে দেশে ফিরতে বেশি সময় লাগবে না।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সাকিব বলেন, ‘বিশ্বকাপ না খেলাটা হতাশাজনক। সে সময় সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কিছু করতে পারেনি। পরিস্থিতির দায় মূলত সেই সিদ্ধান্তের ওপরই পড়ে।’
মাঠের ক্রিকেটে নিজের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খেলার প্রতি আগ্রহ এখনো অটুট। যেদিন মনে হবে আগ্রহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াব।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের সময় তার নীরবতা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা দেখা যায়। অভ্যুত্থানের পরও কিছু মহল তার দেশে ফেরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে।