সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় নতুন হলের কমন রুমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, ডিন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, প্রভোস্ট পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ উদ্দীন ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। এছাড়াও হলের হাউস টিউটর, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নবনির্মিত হলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, নতুন হলের একটি ব্লকের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ৩৫০ জন ছাত্রীকে ৪৪টি রুমে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।পুরো ভবনের কাজ শেষ হলে হলের ধারণক্ষমতা হবে প্রায় ১২০০ জন। নতুন সংযোজনের ফলে বর্তমানে বাকৃবিতে মোট ১৫টি আবাসিক হল রয়েছে।ভাপতির বক্তব্যে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো আবদুল কাদের বলেন, ‘এটি একটি অনন্য হল তার নামের কারণেই। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ শতাংশ ছাত্রী ও ৪০ শতাংশ ছাত্র রয়েভাবেই মেয়েরা এগিয়ে আসছে। হলে ছোটখাটো সমস্যা থাকবেই কিন্তু এই পরিবেশে যদি তোমরা মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করো, তাহলে তোমরা নিজেদেরকে আরো উন্নতভাবে গড়ে তুলতে পারবে। দেশের সেবায় এগিয়ে যেতে পারবে। তাহলেই এই হলের নাম সার্থক হবে।’প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া একটি অবিস্মরণীয় নাম, একটি প্রতীক।একটি অনুকরণীয়, অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বের নামে আমাদের এই হল। হলটির যে নৈসর্গিক সৌন্দর্য এবং পরিবেশ তাতে আমি মনে করি এটি অন্যান্য সকল হলের চেয়ে আলাদা। তোমরা যারা এই হলে সিট পেয়েছো আমি মনে করি তোমরা সবাই অনেক ভাগ্যবান।’তিনি আরো বলেন, ‘এই হলে কোন হিটার চলবে না। এই হলের শতভাগ মেয়েকে ডাইনিং এ খেতে হবে। এই হলের কোন মেয়েকে আমি দেখতে চাই না পলিথিনে করে বাজার কিনে আনবে। ডাইনিংয়ের খাবার ভালো না হলে আমরা বাবুর্চিদের দেখব, তোমরাও পরামর্শ দিবে। আর তোমাদের জন্য অতিসত্বর ব্যাডমিন্টন কোর্টের ব্যবস্থা করা হবে।’