এমন বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে রাজা বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি রাজা নই।তিনি বলেন, ‘দেশকে পুনর্গঠনের জন্য যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছি, তা দেশের প্রয়োজনেই।’তবে সমালোচকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের অনেক পদক্ষেপই অসংবিধানিক এবং গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে ট্রাম্প একাধিক নির্বাহী আদেশ জারি করে ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বিলুপ্ত বা সীমিত করেছেন, এমনকি রাজ্য গভর্নরদের আপত্তি উপেক্ষা করে শহরগুলোতে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন।তিনি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিজের ‘রাজনৈতিক শত্রুদের’ বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশও দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।নিউইয়র্কের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লেখক বেথ জ্যাসলফ বলেন, ‘দেশে স্বৈরাচারের দিকে ঝুঁকে পড়া দেখে আমি ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। তবে এত মানুষকে একসঙ্গে দেখে আশাবাদী হয়েছি।’নিউ জার্সির অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মাসিমো মাসকোলি বলেন, ‘আমি ইতালিতে বড় হয়েছি। দেখেছি, কীভাবে ফ্যাসিবাদ একটি দেশকে ধ্বংস করে।এখন আমেরিকাও সেই পথে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’বিক্ষোভে অংশ নেন বেশ কয়েকজন ডেমোক্র্যাট নেতাসিনেট মাইনরিটি লিডার চাক শুমার সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, ‘আমেরিকায় কোনো রাজা নেই, কোনো একনায়কও নেই। আমরা গণতন্ত্র রক্ষা করব।’ওয়াশিংটনে মূল বক্তৃতা দেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।তিনি বলেন, ‘আমরা আমেরিকাকে ঘৃণা করি না, বরং ভালোবাসি বলেই আজ রাস্তায় নেমেছি।’সিনেটর কোরি বুকার ও অ্যাডাম শিফও নিজেদের রাজ্যে অংশ নেন বিক্ষোভে। শিফ বলেন, ‘আজকের এই দৃশ্যই প্রকৃত গণতন্ত্রের রূপ।’