একটা সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আমার ইসির কমিটমেন্টও তাই। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আয়োজিত সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এবিউজ অব এআই, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ আমাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে।একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে ক্রান্তিলগ্নে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। আমার বয়স ৭৩ বছর। আমার আর চাওয়ার কিছু নেই। জীবনে এটা শেষ সুযোগ হিসেবে নিয়েছি দেশের জন্য কিছু করার।একটা সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আমার ইসির কমিটমেন্টও তাই। এ ক্ষেত্রে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা লাগবে। এ জন্য সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এটা ইসির একার পক্ষে সম্ভব না।তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চাকরি (ইসিতে) করছেন। কোথায় কোথায় গ্যাপ থাকে, সেগুলোর বিষয়ে আমাদের পরামর্শ দেবেন যেন গ্যাপগুলো বন্ধ করতে পারি।’সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে কারচুপি ও জালিয়াতি ঠেকানোর পরামর্শ দেবেন। আমরা অনেক নতুন ইনেশিয়েটিভ নিয়েছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভোট দেওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময়। নারী-পুরুষ ভোটারের পার্থক্য ৩০ লাখ ছিল। সেটা কমিয়ে এনেছি। আমরা পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করেছি। একটা মডেল বের করেছি। পারব কি না জানি না, আমরা চেষ্টা করব। আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট, একটা হাইব্রিড পদ্ধতি বের করেছি। এতে প্রবাসী, সরকারি চাকরিজীবী ও কয়েদিরা ভোট দিতে পারবেন।’