ডেক্স রিপোর্ট
তৈরি পোশাক উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র ২০২৫-২৭ মেয়াদে নির্বাচন সামনে রেখে মিট দ্য প্রেসের আয়োজন করে সম্মিলিত পরিষদ। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে এ আয়োজন করা হয়। যেখানে নির্বাচনী পরিকল্পনা ও ভাবনা তুলে ধরেন সম্মিলিত পরিষদের জোটের নেতারা।
পুরনো তালিকা থেকে প্রায় সাড়ে ছয়শ ভোটার ছাঁটাইয়ের বিষয়টি এবারের নির্বাচনে বড় ইস্যু। যাদের ভুয়া ভোটার বলে প্রতিপক্ষ জোট দাবি করলেও, তা মানতে নারাজ সম্মিলিত পরিষদ। একই সঙ্গে বিজিএমইএকে রাজনীতির বাইরে রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় জোটটি।
বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান বলেন, ইউডি দিয়ে আমদানি-রপ্তানি করি। আগে এটা কাস্টমস করতো, পরে আমরা বিজিএমইএর নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। যা জটিলতা কমিয়ে সময় সাশ্রয় করছে। শিশু শ্রম বন্ধেও বিজিএমইএ’র ভূমিকা ছিল মূখ্য। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও যেকোনো সমস্যা সমাধানে উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি সম্মিলিত পরিষদের। উত্তরা বিজিএমইএ ভবন সম্মিলিত পরিষদের অর্জন। ব্যালেন্সড প্যানেল গঠন করা হয়েছে শিল্পের স্বার্থে।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর যেসব মামলা হয়েছে, তা আইনি প্রক্রিয়ায় শেষ হয়ে যাবে। দুশ্চিন্তার কিছু নেই। মেয়র-এমপি তৈরির প্ল্যাটফর্মে পরিণত বিজিএমইএ, যা নির্লজ্জ চাটুকারিতার মাধ্যমে সৃষ্টি। আমরা ভবিষ্যতে কোনো সরকারের চাটুকারিতা সমর্থন করবো না। রাজনীতির সহায়তায় নিজে বড় লোক হতে চায়, টাকা পাচার করতে চায়- এমন ব্যবসায়ীকে আমরা সমর্থন করবো না। এপারেল মন্ত্রণালয় দরকার, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার সুবিধার্থে।
বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আমার কমিটমেন্ট ও লক্ষ্য অনুযায়ী কর্ম পরিকল্পনা সাজিয়েছি। এসএমই সংকট নিরসনে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। এলডিসি পরবর্তীতে সক্ষমতা ধরে রাখতে বিকল্প সহায়তায় জোর দেয়া হচ্ছে। মেড ইন বাংলাদেশ প্রিমিয়াম এডিশন অর্থাৎ দামি পোশাক তৈরির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে, যার চাহিদা বিশ্ববাজারে প্রতিনিয়তই বাড়ছে। সারাবিশ্বে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সংকট বিদ্যমান। এমন পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞদের বিকল্প নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিজিএমইএ ভবন গ্রীণ সার্টিফিকেট পাবে, কিছু কাজ বাকি আছে। ৫ আগস্টের পর মামলায় ক্লিন ইমেজের কোনো ব্যবসায়ীকে হয়রানি করা হচ্ছে না। আগামীতেও সমস্যা হবে না আশাকরি। এছাড়া এনবিআর দুই ভাগ নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই। কিন্তু কলম বা কর্মবিরতিতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প শুল্ক, গ্যাসের সংকট ও এলডিসির কারণে গভীর সংকটের মুখে পোশাক শিল্প। যা থেকে উত্তরণে শিল্পবান্ধব নীতি সহায়তার প্রয়োজন।