এরশাদ রানা, ষ্টাফ রিপোর্টার (চৌদ্দগ্রাম)
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গ্রামীণ সড়কগুলি এখন ধুলোবালির রাজত্বে।ইঞ্চিপরিমাণ বিকল্প সড়ক নেই যে সড়ক দিয়ে পথচারীরা তাদের গন্তব্যে পাড়ি দিবে, বিশাল এই প্রান্তিক এলাকায় এমন জনদূর্ভোগ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের একমাত্র কারণ এই উপজেলার গ্রামীণ সড়কের কোঁল ঘেঁষেই নির্মিত রয়েছে ডজনেরও বেশি ব্রিকস্ ফিল্ড, আর এসব ব্রিকস্ ফিল্ডের ইট সরবরাহ ও মাটি ক্যারিং করতে গিয়ে নিতান্তই ধুলোবালির কবলে পড়তে হচ্ছে চৌদ্দগ্রাম’বাসীকে।
নাকের ডগায় কাপড় মুড়িয়ে আর করোনাকালিনের মতো মাস্ক পরিধান করেই বাসা থেকে বের হতে হচ্ছে উপজেলার শ্রীপুর, উজিরপুর, কালিকাপুর, ঘোলপাশা, পৌরসভা, মুন্সিরহাট, কনকাপৈত, বাতিসা, চিওড়া, গুনবতী ও আলকরা ইউনিয়নবাসীকে।একদিকে রাস্তার খানাখন্দের ঝনঝনানী ও অন্যদিকে ইট/বালি ভর্তি বড় বড় ট্রাক্টরের বিকট শব্দ,সাথে সিএনজি চালিত অটো রিক্সা তো চলছেই।মাঝখানে অসহ্যকর ধুলোবালির কঠোর মহড়ায় অতিষ্ঠ জীবিকার তাগিদে বের হওয়া মানুষরা।
এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বয়ে যাওয়া ধুলোবালিতে কি ধরণের ক্ষতির আশংকা দেখা দিতে পারে জানতে চাইলে দৈনিক স্বাধীন ভোর এর সাথে সংযুক্ত হন উপজেলার কালিকাপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের মীরশান্নী রাস্তার মাথা থেকে নালঘর বাজার পর্যন্ত একাধিক পথচারীরা।
এসময় সেসব পথচারীরা বলেন-এই গ্রামীণ সড়কটি উপজেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এটির বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে স্হানীয় এলাকার প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ও ব্রিকস্ ফিল্ডের মালিকরা। তারা তাদের ষোলআনা ব্যবসা বুঝে নিবে আর এইপথের নিত্য পথচারীরা তাদের উড়িয়ে দেয়া ধুলোবালি খেয়ে অসুস্থ হবে,এটিই এখন রীতিমতো সমস্যা। এসব দেখার মতো কেউই নেই।