ডেস্ক রিপোর্ট
স্বামীর (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সাথে প্রতারণা করে তার প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে জেসমিন আক্তার নামে এক নারী। প্রতারক এই নারী হলেন শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার মহিষার ইউনিয়নের উত্তর মহিষার গ্রামের মরহুম আলী হোসেন ওরফে মঙ্গল মৃধার মেয়ে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, জেসমিন আক্তার একজন দেহ ও মাদক ব্যবসায়ী এবং প্রতারক চক্রের সদস্য। জেসমিন আক্তারের পরিবারের যোগসাজশে ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার নামীদামী সম্ভ্রান্ত পরিবার ও ধন্যাঢ্য পুরুষদের ফুসলিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার পরিকল্পনা করে এ পর্যন্ত সে ১২ জনকে বিয়ে করে।

বিয়ের ৫/৬ মাস শেষ হলেই ফাঁদে ফেলা স্বামীর লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে মামলার ভয় দেখিয়ে তালাক নিয়ে নিত। ১২তম স্বামীর ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। তার নগদ টাকাসহ ৭০-৭৫’লক্ষ টাকার সম্পদ আত্মসাৎ করার জন্য জেসমিন আক্তার ১২তম স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে ১৪৯/২০২৪(পালং) আদালতে গত ৮ এপ্রিল একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলা মিথ্যা প্রমানিত হয়। ভুক্তভোগী ১২তম স্বামী জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। প্রতারক জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে শরীয়তপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর ১৯১/২০২৪, শরীয়তপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে সি,আর ২৩৭/২০২৪, শরীয়তপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সি,আর ৩২৭/২০২৪ এবং পালং থানার নন এফ আই আর প্রসিকিউশন মামলা নং-৮৩ প্রতারণার মামলা চলমান আছে। ভেদরগঞ্জ সহকারি জজ আদালতে ৭৮২/২০২২ জাল জালিয়াতির প্রতারণা এবং শরীয়তপুর ল্যান্ড সার্ভে আদালতে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা বিদ্যমান। ভোক্তভোগী স্বামী জানান, আমাদের দেশে এধরনের প্রতারকদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলছে । আমাদের সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ব্যস্থা না নিলে আমার মতো অনেকেই নিঃস হয়ে পথে বসবে অন্যথায় প্রাণহানীর ঘটনাও ঘটতে পারে। আমি প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি এবং বিচারের দাবী জানাই।