মোঃ আবু জাফর মন্ডল, গাইবান্ধা
বাংলাদেশ রোড কর্পোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়ক ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সেই ঢাকা রংপুর মহাসড়কের ৪ লেনে বর্ধিত (উন্নীত) করণের লক্ষ্যে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র নুনিয়াগাড়ী মৌজার অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ না করেই জোর পূর্বক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে চাইনার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান (সাসেক) রাস্তার কাজ শুরু করায় হতাশা প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগী জমির মালিকগন। আরো উল্লেখ্য থাকে যে গত (৩১ মার্চ) পলাশবাড়ী চৌমাথা মোড়ে নুনীয়াগাড়ী মৌজার ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকগণ দ্রুত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার নিমিত্তে ঘণ্টাব্যাপী এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। উক্ত মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, যথারীতি নিয়মমাফিক আমাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় টাকার জন্য ঘুরে কোনো ফল মিলছে না। বিভিন্ন তালবাহনা দিয়ে নানা ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে,তাছাড়া ঘুষ বাণিজ্য তো লেগেই আছে। তারা আরও জানান, অনেক জমি মালিকের সবটুকু জমিসহ স্থাপনা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আজ তাদের মাথা গোঁজার পর্যন্ত ঠাঁই নেই। তারা আজ মানবেতর জীবন যাপন করে আসছেন। এমতাবস্থায় অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকগন ক্ষতিপূরণের টাকা প্রাপ্তির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগীরা। অন্যথায় সরকার নির্ধারিত টাকা আদায়ের লক্ষ্যে বৃহত্তর আন্দোলনসহ মহাসড়কে চলমান কাজ বন্ধের হুমকি দেন তারা। মানব বন্ধনের অভিযোগের ভিত্তিতে গণমাধ্যম কর্মীরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট বিষয়টি দৃষ্টি গোচর করলে দু মাসের মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করবেন বলে তিনি জানান। কিন্তু প্রায় দু মাস অতিবাহিত হয়ে চললেও ক্ষতিপুরণের পাওনার কোন আশানুরূপ অগ্রগতি নেই। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও হতাশা প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক মহোদয়’কে বিষয়টি দ্রুত আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন,অন্যথায় পুনরায় মানব বন্ধন সহ কঠোরতম আন্দোলনে যাবেন ক্ষতিগ্রস্ত অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকগণ।