মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্যামনগর
২০২৪ মৌসুমে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে মধু আহরণের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ ঘটিকায় বুড়িগোয়ালীনি ফরেস্ট সরকারি স্কুলে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের আয়োজনে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় বনকর্মতা ড আবু নাসের মোহসীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম আতাউল হক দোলন।ফরেস্ট অফিসার জামিউল হকের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আইয়ুব ডলি, পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এমকেএম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী, রমজাননগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আল মামুন, কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, বুড়িগোয়ালীনি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন মৌয়াল ও মধু ব্যবসায়ী উপস্থিতি ছিলেন। বক্তরা বলেন, সাতক্ষীরা সুন্দরবনে যে মধু পাওয়া যায়। এটি আর কোথায় পাওয়া যায় না। হাতে গোনা দুই একজন অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে দুর্নাম হয়েছে। সুন্দরবনের সিংহভাব বাংলাদেশেও ভারতীয় অংশ সমৃদ্ধ। এটি কাটিয়ে উঠতে হবে। তবে সুন্দরবনের আগে তুলনায় সংরক্ষণ করা গেছে। আমাদের বন বাচিয়ে রাখতে হবে। তা নাহলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে আগামী ১০০ বছর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাবে। সড়ক পথে সুন্দরবনের দেখতে চাই। সেজন্য মৌ জাদুঘর করা হয়েছে। সুন্দরবনের অনেকগুলো পর্যটন কেন্দ্র করা হয়েছে। আগামীদিনে আরও করা হয়ে। সুন্দরবনের বিভিন্ন পশুপাখি, গাছ, মৌমাছি দেখি উপার্জন করবেন। আর আপনাদের সুন্দরবনের গাছ কাটা লাগবে না। ট্যুরিজম শিল্প যতবেশি বিকশিত হবে। ট্যুরিজম শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। যারা হরিণ শিকার করতো। বিষ দিয়ে মাছ শিকার করতো তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে ঘৃণিত কাজ না করার অঙ্গীকার করেছে। সাতক্ষীরা রেঞ্জে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৫০ কুইন্টাল, ২৮৬ কুইন্টাল। প্রথম দিনে ৬৪জন মৌয়াল পাশ নিয়ে সুন্দরবনের প্রবেশ করেছে। মধু পরীক্ষা নিরিক্ষা নিরীক্ষার ল্যাব স্থাপন করা হবে। ২০ জন হরিণ শিকারী ও বিষ দিয়ে মাছ শিকারী আত্মসমর্পণ করেন।