শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নয়া বিচারক (জেলা জজ মর্যাদার) হিসেবে বেগম কামরুন নাহার রুমী যোগদান করেছেন। মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) তিনি ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। বেশ কিছুদিন ধরে এ পদটি শূন্য ছিলো।বুধবার(৩০আগষ্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু। এর আগে গত ১৬ আগষ্ট আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ উসমান হায়দার সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বেগম কামরুন নাহার রুমীকে পদোন্নতি ও বদলির তথ্য জানানো হয়। শেরপুরে যোগদানের আগে তিনি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদায় চট্টগ্রামের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পাঁচ বছরের অধিক সময়দায়িত্ব পালন করেছেন। জানা গেছে, বেগম কামরুন নাহার রুমী চাঁদপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তার বাবা আলহাজ্ব মো. আবুল বাসার তালুকদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন। তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সহকারী জজ হিসেবে জাহিদা চাকরিজীবন শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন জেলায় দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তার স্বামী একেএম আজিম একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি ২ কন্যা সন্তানের জননী। এদিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবাগত বিচারক বেগম কামরুন নাহার রুমীর যোগদান উপলক্ষে জেলা দায়রা জজ মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রট এমএম হুমায়ুন কবীর ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুস সবুর মিনাসহ শেরপুর বিচার বিভাগের অন্য বিচারকরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমকে মুরাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন মুন্না তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। উল্লেখ্য, ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের বদলির পর থেকে ভারপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুস সবুর মিনা।