চৌদ্দগ্রাম ( কুমিল্লা ) প্রতিনিধি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় সবকটিতেই চলছে রাতের আঁধারে মাটি কাটার মহোৎসব।আর তাতে করে ব্যাপক আকারে ক্ষতির দিকে ঝুঁকছে ফসলি জমিনগুলি,পাশাপাশি প্রান্তিক এলাকার সড়কের অবস্থাটি বেহাল হওয়ার একমাত্র কারণ মাটি ক্যারিং এর জন্য।তবে কারা করছে এসব অবৈধ মাটির রমরমা ব্যবসা তাদের নাম এলাকার মানুষের মুখের কাছে এক আতংকও বটে।প্রতি বৎসর এমন ভরা মৌসুম আসলেই প্রশাসনের নাকের ডগায় ফাঁকি দিয়ে অধোরা সিন্ডিকেটরা মাটি কাটার মহোৎসবটি অব্যাহত রাখে।আর এসব ব্যবসা করে চৌদ্দগ্রামের ডজনেরও বেশি পাতি নেতা,ব্রিকস ফিল্ডের মালিক,এলাকার সর্দার/মেম্বার এখন কুমিল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ নগরীতে নামি-দামি ফ্লাট ভাড়া করে থাকেন,বৌ বাচ্চা নিয়ে দেশের বাহিরে গিয়ে হানিমুন করে থাকেন।মৌসুমের শুরুতে দিনের বেলায় লরি,ট্রাক্টর,ড্রাম ট্রাকের বিকট ঝনঝনানি শুনা গেলেও গত ২সপ্তাহজুড়ে এটির রুপ পরিবর্তন হয়ে গভীর রাতে রুপ নিয়েছে।এবিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ কে অবহিত করা হলে তিনি স্হানীয় প্রশাসনের অনুকূলে কঠোর নির্দেশনা জারি করেন এবং স্বশরীরে নিজেও এসব অবৈধ মাটি কাটার মহোৎসবের বিষয়টি সার্বক্ষণিক তদারকি করে যাচ্ছেন।তারই এক ধারাবাহিকতায় গতকাল রাত ২টার সময় উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নে বর্ধনবাড়ীর জসিম উদ্দিন নামক এক অসাধু সিন্ডিকেটের হোতা থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করান।বাদবাকি সিন্ডিকেটরা ধরাচোঁয়ার বাহিরে থাকলেও খুব শ্রীগ্রই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে স্হানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সরকারের এই বিচক্ষণ ইউএনও।