বায়েজিদ হোসেন, বগুড়া
বগুড়া জেলার কাহালু থানাধীন লহরাপাড়া এলাকার মুদি ব্যবসায়ী ভিকটিম আব্দুল বাছেদ(৬২) এর ছেলে রুস্তমের সহিত আসামীদের দীর্ঘদিন যাবৎ পূর্ব শত্রুতা বিদ্যমান ছিলো। এর প্রেক্ষিতে আসামীগণ রুস্তমের পরিবারের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে এবং প্রকাশ্যে পরিবারের সদস্যদের খুন/জখম করার হুমকি প্রদান করে। ভিকটিম গত ইং ২৯/০৯/২৪ ইং তারিখ তার মুদির দোকানের বেচাকেনা শেষে বাড়িতে রাতের খাবার সেরে রাত ২৩.০০ ঘটিকার সময় দোকানেই ঘুমিয়ে পড়েন। ভিকটিম ফজরের নামাজের উদ্দেশ্যে ৩০/০৯/২৪ ইং তারিখ ভোর ০৪.৩০ ঘটিকার সময় দোকানের দরজা খোলামাত্র দুস্কৃতকারী আসামীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দোকানে প্রবেশ করে ভিকটিমের গলায় রশি পেঁচিয়ে এবং হাসুয়া, রামদা, লোহার রড, লাঠি দ্বারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম সহ দুই পায়ের রগ কেটে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম আব্দুল বাছেদকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। এ ব্যাপারে ভিকটিমের ছেলে বাদী হয়ে বগুড়া জেলার কাহালু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বর্ণিত হত্যাকান্ডের ঘটনায় বগুড়া জেলা সহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর পরই সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে মাঠে নামে র্যাব-১২, বগুড়ার গোয়েন্দা টিম। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সর্বাত্মক অভিযান শুরু করা হয়। উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে অদ্য ইং ০৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ দুপুর ১৪.৩০ ঘটিকায় র্যাব সদর দপ্তর ইন্ট উইং এর সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বগুড়া জেলার কাহালু থানাধীন বিবির পুকুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম এজাহারনামীয় আসামী মোঃ আঃ খালেক(৪৫), পিতা-মৃত নাছির উদ্দিন, সাং-শিলকওড়, থানা-কাহালু, জেলা-বগুড়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া জেলার কাহালু থানায় হস্তান্তর করা হয়।