কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল খায়ের এ্যাডভোকেট এ.আর বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ করেছেন। তিনি গতকাল বিকেলে বসুরহাট বাজারে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন। আবুল খায়ের বলেন, ডাঃ ছেরাজুল ইসলাম মৃত্যুকালে এটিএম আবু নাছের চৌধুরী, আবু রেজা ফারুক উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, এ.আর বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, বিলকিশ বেগম, জেকরে জাহান ফেরদাউস আরা আজমেরি ও লায়লা নুর আনোয়ারা সুলতানাকে রেখে যান। তিনি ১নং বিরাহীমপুর মৌজায় ৫১৫.২৫ শতাংশ, ১৩নং চরপার্বতী মৌজার ডাঃ ছেরাজ প্লাজা ও হাজী মার্কেটের ৬.০০ শতাংশ এবং ৭নং চরকাঁকড়া মৌজার ৯.৭৫ শতাংশ সহ মোট ৫৩১ শতাংশ সম্পত্তি রেখে যান। এ.আর বেলাল ভাই -বোনদের সম্পত্তি না দিয়ে উকিল হিসেবে মামলা ও মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে জরব দখল করে ভোগ করে আসছে। তার পিতা ডাঃ ছেরাজ মৃত্যুকালে ছোট কন্যা লায়লা নুর আনোয়ারা সুলতানাকে বশত ভিটায় রেখে যান। বেলাল বিভিন্নভাবে যড়যন্ত্র করে বিদ্যুৎ, গ্যাসের লাইন কেটে দিকে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে বশত ঘর থেকে উচ্ছেদ করে। এব্যাপারে স্থানীয় সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউপি চেয়ারম্যান শালিসী বোর্ড গঠন করে যার যাহা প্রাপ্য তাহা তাদেরকে বুঝাইয়া দেন। এমনকি বসুরহাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিখিত রায়ের মাধ্যমে যার যার সম্পত্তি তাকে বুঝিয়ে দেন। বেলাল ছাড়া ভাই বোন ৬জন এ সম্পত্তি বিক্রয় করার প্রস্তাব করিলে আমি আবুল খায়ের সর্বোচ্চ বাজার মূল্যে স্বাক্ষীগণের উপস্থিতিতে গত ২৬ আগষ্ট ২০২৩সাল থেকে ধাপে ধাপে এ ৬ অংশীদার থেকে ছাপ কবলা ও পাওয়ার সূত্রে ক্রয় করে মালিক হই। ক্রয় করার পর বেলাল আমাদেরকে সম্পত্তি বুঝাইয়া না দিয়ে মামলা-হামলা, ভয়-ভীতি ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। হুমকির বিষয়ে আমি কোম্পানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করি। এতেও সে তোয়াক্কা না করলে আমি গত ১লা অক্টোবর ২০২৪ সালে কোম্পানীগঞ্জ সেনা ক্যাম্প, বসুরহাট পৌর প্রশাসক ও কোম্পানীগঞ্জ থানা বরাবর ন্যায় বিচারের জন্য অভিযোগ দায়ের করি। এমতাবস্থায় বেলালের ডাঃ ছেরাজ প্লাজা ও হাজী মার্কেটের ভাড়াটিয়াগনদের দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতেছে এবং বলতেছে তোমাকে কোন সম্পত্তি বুঝাইয়া দেওয়া হবে না। তারা আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। আবুল খায়ের মাননীয় সরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরাবর বিনীত অনুরোধ জানিয়ে তদন্ত করে এর একটা সুষ্ঠু সমাধান করার জন্য আবেদন জানান।