মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে চারটি ট্রেডের ১৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীর নতুন শিফট উদ্বোধন ও ৬৮ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মাঝে প্রায় ৩ লাখ টাকা ভাতা বিতরণ করেছেন বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান।অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।
রবিবার(৫ এপ্রিল)দুপুরে মাগুরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত হয় এই অনুষ্ঠান। কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কক্ষে উপ-পরিচালক মোঃ ইলিয়াসুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু সহ অন্যরা।
প্রশিক্ষনার্থীদের উদ্দেশ্যে সাকিব বলেন, প্রশিক্ষিত যুবশক্তিই দেশ গঠনে সবচেয়ে বেশী ভুমিকা রাখতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইস্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন তার কারিগর আপনারা।এই যুবকরাই পারে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার সারথি হতে।স্বাবলম্বী হতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের ভূমিকা রয়েছে।এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা বাস্তব জীবনে যেতে পারবে।বাংলাদেশ সরকার যুব উন্নয়নের মাধ্যমে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আমি মনে করি যুবকদের জন্য একটি ভালো উদ্যোগ।এই উদ্যোগের মাধ্যমে যুবকরা ভালো কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারবে এবং তারা আত্মনির্ভরশীল হবে।এই সকল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিজেরাই স্বাবলম্বী হতে পারে। কারণ কারুর উপর নির্ভরশীল হতে হবে না।এবং এখান থেকেই উন্নয়নশীল দেশের দিকে এগিয়ে যাবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণের ভূমিকা রাখবে।যুবকদের নিয়ে আমার আসাটা অনেক। প্রশিক্ষণ প্রাপ্তি যুবক যারা আছেন এবং আমি,আমার মধ্যে কাছাকাছি একটা মিল আছে।আমি মনে করি আমরা মিলেমিশে একত্রিত হয়ে এই মাগুরার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারব।
এরপর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, ফ্রি ওয়াইফাই জোনের কথা দিয়েছিলাম।ইতিমধ্যে আমি স্পন্সরও পেয়েছি এই কাজের জন্য। আমরা এখন জায়গা নির্ধারণের কাজ করছি।আমি চাই এটাকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা তৈরি হবে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকল সংসদ সদস্যদেরকে ডেকে বলেছেন, সংগঠনটি অনেক ইম্পরট্যান্ট।আমিও মনে করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী দল।এই দলটি স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে।জিনারা দায়িত্বে আছেন তিনারায় এই দলটিকে পরিচালনা করবেন এখানে প্রভাব বিস্তারে সুযোগ নেই।
তিনি আরো বলেন, উপজেলা নির্বাচনে সবাই আওয়ামী লীগের প্রার্থী।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সঙ্গত কারণেই একটু উত্তেজনা থাকবে।তবে আমি আশা রাখছি নির্বাচন পরবর্তী এই উত্তেজনা থাকবে না।যদি হয়েও থাকে তাহলে পুলিশ প্রশাসন এটাকে শক্ত হাতে দমন করবে।সব থেকে বড় ব্যাপার উপজেলা নির্বাচনে যিনি জিতবেন এবং যিনি হারবেন উভয়েই দলের সমর্থক।আমি মনে করি না এখানে কোন সমস্যা হবে।তবে আমি চাইবো যারা নির্বাচিত হবেন তারা যেন সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে পারেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য। যে মানুষকে সাহায্য করতে পারবেন, যারা পাশে থাকবেন, সুন্দর মনের মানুষ, ভালো কাজ করতে পারবে তাদেরকেই ভোটাররা বেছে নেবে বলে আমি মনে করি।