সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় মৌসুমের শুরুতেই হিমায়িত রফতানি যোগ্য চিংড়ি রেণুর দাম বেড়ে গেছে দ্বিগুণেরও বেশি। এ ছাড়াও নিম্ন মানের হওয়াতে ঘেরে মারা পড়ছে বেশির ভাগ রেণু। এতে চরম বিপাকে পড়ে চাষিদের এখন দিশেহারা অবস্থা। সরেজমিনে দেখা যায়,সকাল ১০টার সময় সাতক্ষীরার করিম সুপার মার্কেটে বিভিন্ন এজেন্টের ঘরে আসতে থাকে বিভিন্ন হ্যাচারির চিংড়ি রেণুর বক্স। কক্সবাজার থেকে উড়োজাহাজে যশোর হয়ে পিক আপে নিয়ে আসা হয় এগুলো। রেণুর নিম্ন মান আর দামের ঊর্ধ্ব গতি দেখে হতাশ ঘের মালিকরা। তার ওপর মার্কিং ছাড়াই সাধারণ পলি ব্যাগে নিয়ে আসা রেণু ঘেরে ছাড়ার পর মারা যাওয়াতে চাষিরা দিশেহারা। ব্যবসায়ীরা জানান,মৌসুমের শুরুতেই এবার রেণুর দাম অনেক বেশি। গত বছর যে রেণু হাজারে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হতো,এখন তা ৯৫০ থেকে ১ হাজার টাকার বেশি। মৌসুমের শুরুতেই রেণুর দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের মুজুরি বাড়া সহ সব ধরনের খরচ বাড়ার কারণেও তারা দিশেহারা। জেলা চিংড়ি চাষি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. আবুল কালাম বাবলা বলেন,বাজার দর নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ক্ষতি গ্রস্ত হবে চাষিরা। বিষয়টি মৎস্য অধিদফতরের দেখা প্রয়োজন এ মুহূর্তে। যদি বাজার নিয়ন্ত্রণ করা না যায়,তাহলে ব্যাহত হবে উৎপাদন দেশ বঞ্চিত হবে বৈদেশিক মুদ্রা থেকে। চিংড়ি রেণুর দামের ঊর্ধ্ব গতির কথা স্বীকার করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান,বাজার দর সমবায় ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি আমরা। সেই সঙ্গে রেণুর নিন্মমান এড়াতে ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। তবে চাষিদের ঘেরের গভীরতা বাড়ানোর পাশা পাশি জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নার্সিং এর মাধ্যমে চিংড়ি রেণু ছাড়লে ক্ষতি এড়ানো যাবে।