মো: রমিজ আলী
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি( চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাগর থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসি। এলাকাবাসির পক্ষে সীতাকুণ্ড উপজেলা ৮ নং সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য খায়ের হোসেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে এই স্মারকলিপি দেন। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ছাড়া ও অনুলিপি দেওয়া হয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম,উপ-মহাপরিদর্শক( ডিআইজি) এবং পুলিশ সুপার চট্টগ্রামকে। স্মারকলিপিতে জানানো হয়, একটি প্রভাবশালি মহল দীর্ঘদিন যাবত সীতাকুণ্ড উপজেলার ৮ নং সোনাইছড়ি ইউনিয়নে সাগর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা বিক্রি করছে। বালু উত্তোলনের ফলে বেড়িবাঁধ সম্পন্ন ভেঙে গিয়ে এলাকায় জোয়ারের পানি ডুকে ফসলি জমিসহ মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হচ্ছে। ফসলী জমি নষ্টের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শতাধিক কৃষক।এলাকার কিছু প্রভাবশালী মানুষের সহযোগিতায় একটি সিন্ডিকেট সাগর থেকে বালু উত্তোলনের পর তা বাস্কহেড ও ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে বিক্রি করছে।বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করার পরে ও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। প্রভাবশালীরা উল্টো বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।প্রশাসনিকভাবে নিষেধ থাকলে ও আইন অমান্য করে তারা সর্বত্র এই কাজ করছে।৮ নং সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বত্তারপাড়া এলাকায় মাবিয়া শীপ এয়ার্ডের ভিতী দিয়ে ড্রেজার লাগিয়ে সাগর থেকে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালী মহল।বালু মহাল এবং মাটি ব্যবস্তাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী পাম্প বা ড্রেজিং অন্য কোনো মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্হবালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। ওই আইনের (৩) উপ- ধারা (২) এ উল্লেখ রয়েছে ড্রেজিং কার্যক্রমে বাস্কহেড বা প্রচলিত বলগেট ড্রেজার ব্যবহার করা যাবে না। এবং সর্বোপরি এভাবে বালু উত্তোলন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে বিবেচিত হবে।কিন্তু সরকারের এই আইন অবজ্ঞা করে স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদাররা অতি মুনাফার আশায় টমন অনিয়ম করলে ও স্থানীয়দের অভিযোগ এ বিষয়ে নিশ্চুপ সরকারের সংশ্লিষ্ট তদারককারী প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়রা এই নিয়ে বিক্ষুদ্ধ হলে ও প্রভাবশালীরা এর সাথে জড়িত থাকায় এ নিয়ে প্রতিবাদ করতে ভয় পান সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভিন্ন সংস্থায় চিঠি দিয়ে দ্রুত ব্যবস্হা নিতে অনুরোধ জানিয়েছি আমরা।