মো : রমিজ আলী, সীতাকুণ্ড
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি( চট্টগ্রাম) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের তাজু সংসারের অভাব অনটন র দারিদ্র্যেতা হার মানাতে পারেনি। জীবন সংগ্রামে শত কষ্ট মেনে নিয়েও পেশা বদল করেননি সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ডের একমাত্র পেপার বিক্রয় মো: তাজুল ইসলাম। তিনি তিন যুগেরও বেশি সময় পেপার বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে মো: তাজুল ইসলাম (৫৩)। ছোট বেলা থেকে তাজুল পেপার বিক্রি করতেন।তিনি দশম শ্রেণি পযন্ত লেখাপড়া করেছেন। তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ১০ শতক বসতবাড়ি ছাড়া আর কোনো ধরনের সম্পত্তি নেই। কিন্তু শতকষ্টের মাঝেও তিনি এই পেশা ছেড়ে যেতে পারেনি। তাজুল ইসলামের পরিবারে স্ত্রী দুই মেয়েসহ ৪ জনের পরিবার। বড় মেয়ে ফাহমিদা সুলতানা নিতু এস এস সি পরীক্ষার্থী ও ছোট মেয়ে আবিদা সুলতানা ইতু ৬ষ্ঠ শ্রেণিপড়ুয়া ছাত্রী। জীবনের শেষ বয়সে এসে তার আর কোনো চাওয়া- পাওয়া কিছু নেই। এ সমাজে বিভিন্ন পেশার মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হলেও তার পেশায় কোনো ধরনের পরিবর্তন ঘটেনি।তবুও তিনি এই পেশায় আত্মাতৃপ্ত। তাজুল ইসলাম বলেন, এখন আর আগের মতো পেপার আর চলে না। তবুও এই পেশা ছাড়তে পারিনি। প্রতিদিন পায়ে হেঁটে হেঁটে সকাল থেকে বিকাল পযন্ত পেপার বেচে ৩-৪ শত টাকা আয় করি।তা দিয়ে কোনো মতে সংসার চলে। কিন্তু পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী পূরণ করতে পারিনা।