চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে মুহূর্তেই পাল্টে গেল দৃশ্যপট।
আলমডাঙ্গার উত্তরা ফিলিং স্টেশনে তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও সাধারণ গ্রাহকদের কাছে তা বিক্রি না করে “তেল নেই” বলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে উপস্থিত হন ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা।
ম্যাজিস্ট্রেট ও মিডিয়ার উপস্থিতি দেখে ভড়কে যান পাম্প কর্তৃপক্ষ। ম্যাজিস্ট্রেট তেলের রিজার্ভ করে অবৈধভাবে তেল মজুদ করে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হন।
মুহূর্তের মধ্যেই তাদের ‘লুকিয়ে রাখা’ তেল বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
অবৈধভাবে তেল মজুত রাখা এবং গ্রাহকদের সেবা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর অপরাধে
পাম্পটিকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আর ভবিষ্যতে পুনরায় এ ধরনের জনবিরোধী কাজ করলে পাম্প সিলগালাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রশাসনের এমন কঠোর তদারকি নিয়মিত অব্যাহত থাকুক বলে মনে করেন সচেতন জনসাধারণ।