মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বড়উদাস গ্রামে ভয়াবহ ও নৃশংস এক নারী হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এক গৃহবধূকে। ঘটনার পরপরই মাঠে পড়ে থাকা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দেয়। পুলিশ জানায়, ১ এপ্রিল সকালে স্থানীয়রা মাঠে কাজ করতে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় এক নারীর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং সঙ্গে সঙ্গে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে। তদন্তে উঠে আসে, নিহত টিপনী খাতুন (২৪) স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। ঘটনার রাতে মোবাইল ফোনে কথা বলার কথা বলে ঘর থেকে বের হন তিনি-এরপরই নিখোঁজ। পরদিন সকালে তার মরদেহ উদ্ধার হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ মূল ঘাতককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় ভিকটিমকে। এরপর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ঘাতক। মাগুরার পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, “এ ধরনের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। দ্রুততম সময়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে যেন এ ধরনের নৃশংসতা বন্ধ করা হয়।