বিশেষ প্রতিনিধি
ইউরোপ, আমেরিকা মধ্যপ্রাচো বিভিন্ন দেশে অধিক বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে অর্ধশতাধিক লোকের কাছ থেকে পাসপোর্ট সহ কয়েকটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। পুলিশ, ভূক্তভোগিদের অভিযোগে জানা যায় রাজধানী ঢাকা কথক একাডেমী এনজিওর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া,কানাডা, ইতালি, দুবাই, ফ্রান্স, জাপান, আমিরিকার ওই দেশের এনজিওর বিভিন্ন সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতেন মো: আবুল কাশেম শেখ। ওই সেমিনারে বাংলাদেশ থেকে অফার লেটারের জন্য আবেদন করতো। পরবর্তীতে ওই দেশ থেকে ইউরোপ দূতাবাস গুলশানে আবেদন কারীদের ডাকা হতো। সেখানে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করতো।এজন্য প্রতিজন লোকের কাছ থেকে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা অগ্রিম হাতিয়ে নিতো প্রতারক চক্র কাশেম শেখেরা। কুমিল্লার দেলোয়ার, ঢাকার খোরশেদ আলম, শফিকুল ইসলাম, আসাদ বাদী হয়ে গুলশান , বংশাল চকবাজার থানায় প্রতারক চক্র আবুল কাশেম শেখ, বখতিয়ার, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলে কয়েকটি মামলা ডিবিতে স্থানান্তর করা হলে ডিবি পুলিশ বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান চালায়। গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি পুলিশ আবুল কাশেম শেখ তার সহকারীদের কাছ থেকে ৩১ টি পাসপোর্ট, স্মার্ট ফোন ৭ থেকে ৮ টি ও একাধিক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সীল উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়,২০০৮ সাল থেকে ভূয়া এনজিওর মাধ্যমে নজরুল ইসলাম, বখতিয়াররা দেশ থেকে মানব প্রাচার করে আসছে।ভূক্তভূগীদের হাতিয়ে নেওয়া তাদের অর্থ পাসপোর্ট এখনো ফেরত পায় নি। এইসব কিছু ফেরত পেতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্থক্ষেপ কামনা করেন। তারা অভিজাত এলাকায় রাজধানী ঢাকায় বিলাশ বহুল বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন। পরিচিত হয়ে গেলে ৩ মাস ৬ মাসের বেশি কোনো বাসায় থাকেন না। ভুক্তভুগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় একাধিক স্থানের ঠিকানা ব্যবহার করে থাকেন। পাসপোর্ট টাকা চাইতে গেলে অনেককে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছেন। প্রতারক চক্র যেন, দেশের বাহিরে পালিয়ে যেতে না পারে। শাহাজালাল বিমান বন্দর, চট্টগ্রাম বিমান বন্দর, সিলেট বিমান বন্দর থানায় ও ইমিগ্রেশন গুলোতে তাদের তথ্য দেওয়া হয়েছে। এরা জামিনে বেরিয়ে এসে আবার ও গোপনে তাদের পুরনো ব্যাবসা পরিচালনা করার অভিযোগ উঠেছে।