এরশাদ রানা, ষ্টাফ রিপোর্টার (চৌদ্দগ্রাম)
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৫৬টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়,শতাধিক দাখিলও নুরানি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা চলতি ২০২৫সালের নতুন পাঠ্যবই এখনো হাতে পায়নি।চলমান এই সমস্যা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও একই অনুরুপে প্রবাহিত হচ্ছে,যার ফলে দিন-দিন শিক্ষা ব্যবস্হায় চরম বিপর্যয়ও নেমে আসতে শুরু করেছে।
বিদ্যালয়ের সময়সূচি সকাল-১০টা থেকে বিকাল-৪টা হলেও, তার কোনোটিই কার্যকারীতায় নেই।দিনে গড়ে ২থেকে ৩ ঘন্টা ক্লাস চলছে হেলে-দুলে বাদবাকি পুরো সময়টি নাচ,গান,খেলাধুলা কিংবা ছুটির মতো অবসরে কাটাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
তবে চলমান সমস্যাটির সূচনা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরপরই,গত ৫ই আগষ্ট থেকে বিদায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পাঠ্যয়ের যেপরিমাণে চাহিদা ছিল,তাহা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাঁপানো সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে ঘুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নতুন পাঠ্য বই না পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন-প্রতিবৎসর আমরা নতুন বই পেয়ে ক্লাস করে থাকি কিন্তু এই বৎসর এখনো নতুন পাঠ্যবই পাইনি।
এতে করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা, প্রশ্ন করা হলে তারা বলেন অবশ্যই সমস্যা হচ্ছে,আমরা শ্রীগ্রই নতুন বই পেতে চাই।
শিক্ষার্থীদের এমন অভিমতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও একমত পোষণ করেন।
পরে চলমান এই সমস্যার থেকে চৌদ্দগ্রামের শিক্ষার্থীরা কবে নাগাদ উত্তোরণ হতে পারে জানতে চাইলে-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম মীর হোসেন দৈনিক স্বাধীন ভোর কে বলেন-নির্দিষ্ট কোনো সময় বলা যাচ্ছে না,আমাদের কাছে যে পরিমাণে নতুন পাঠ্যবই এসেছে তাহা যথাসময়ের মধ্যে বিতরণ করে দিয়েছি,বাদবাকি বইগুলি যখনি আসবে আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতরণ করতে সক্ষম হবো।