মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী দিয়ে বিদ্যালয়ের ড্রেন পরিস্কারের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক।এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ৭ কার্যদিবেশের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ বিদ্যালয়ে যোগদানের পর বিদ্যালয়র স্লিপ ও ক্ষুদ্র মেরামতের অর্থের আংশিক কাজ করে ভূয়া ভাউচার দাখিল করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য অভিভাবকগণ ২৭ আগষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ২৪ সেপ্টম্বর ১ জনকে আহ্বায়ক করে মোট ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। তদন্ত কমিটি সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করে ২০ অক্টোবর তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। তদন্ত রিপোর্টে বিদ্যালয়ে প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়ে কম দামে ফ্যানক্রয়,আপেক্ষাকৃত নিম্নমানের রং এর ব্যবহার,প্রাক্কলনে উল্লেখিত চেয়ার, বেঞ্চ মেরামতের কাজ করেননি এছাড়াও বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিবন্ধী এক ছাত্রের মাধ্যমে ড্রেন পরিস্কারের সত্যতা পেয়েছেন।তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুনা লায়লা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহম্মেদ কে ২৭ অক্টোবর উপরোক্ত আর্থিক অনিয়ম ও কোমলমতি প্রতিবন্ধী শিশুদ্বারা ড্রেন পরিস্কার করার মত শিশু অনুপোযোগী কাজ করার জন্য কেন আপনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা হবে না তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা আগামী ০৭(সাত) দিনের মধ্যে বিরামপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেন।