ফাহিম মুত্তাকীন জীয়ন পাটোয়ারী, বশেমুরবি প্রতিনিধি
অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত সার্বজনীন পেনশনের ‘বৈষম্যমূলক’ প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবিতে কিশোরগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবি) সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলছে।এরই প্রেক্ষিতে ১ জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বরাতে জানা যায়, চলমান আন্দোলনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সাথে একমত পোষণ করে তারা এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।আন্দোলন শিক্ষকদের সাথে একমত পোষণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। তবে আন্দোলন দীর্ঘায়িত হলে সেশনজটের আশঙ্কা করছেন অনেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, আগামী ২৮ জুলাই থেকে তাদের সেমিস্টার ফাইনাল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষকদের এই আন্দোলন ঠিক কতদিন চলবে তা বোঝা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে পরীক্ষা পেছালে সেশনজট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের উচিত খুব দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা।উল্লেখ্য, গত ১৩ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই এর বিরুদ্ধে সরব বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা। সেখানে বলা হয়, চলতি বছরের ১ জুলাইয়ের পর থেকে স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার চাকরিতে যাঁরা নতুন যোগ দেবেন, তাঁরা বিদ্যমান ব্যবস্থার মতো আর অবসরোত্তর পেনশন সুবিধা পাবেন না। তার পরিবর্তে নতুন চাকরিজীবীদের বাধ্যতামূলক সর্বজনীন পেনশনের আওতাভুক্ত করা হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত কয়েকদিন যাবৎ এসব কর্মসূচি পালন করে আসছেন।